Wellcome To OsthirBlog

  • Home
  • About
  • Osthir
  • Design
  • Blogger
  • SITEMAP
Home » সাহিত্য ও সংস্কৃতি
Showing posts with label সাহিত্য ও সংস্কৃতি. Show all posts
Showing posts with label সাহিত্য ও সংস্কৃতি. Show all posts

Thursday, October 15, 2015

'এক মায়ের গল্প'- পি সি দ্বীপ

অল্প বয়সেই বিধবা হলেনসেই মা। ২ সন্তানের জননী। অভাব আর টানাটানির সংসার। বাড়িতে হাসঁ-মুরগি পালন এবং আঙ্গিনায় সবজি চাষের টাকা দিয়েই চলে তার সংসার। চলে বললে ভুল হবে, চলতে চায় না। মা চালিয়ে নেন কোনোভাবে। চোখে তার অনেক স্বপ্ন। সন্তান দুটি মানুষ হবে। মানুষের মতো মানুষ। নিজে লেখাপড়া অতটা করতে পারেন নি। এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন এটা কতোটা মূল্যবান। তার সন্তানদের জীবনে এই ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে দিবেন না তিনি। কিছুতেই না। । এক রাতেঃ মা দু সন্তানকে নিজ হাতে খাইয়ে দিয়ে নিজে দু গ্লাস জল খেয়ে শুয়ে পড়লেন। মেয়েটা বড়।একটু বুঝে। সে জিগ্যেস করলো, মা, খাইবা না তুমি? - খাইসি। তুই ঘুমা। কই খাইসো? পাতিল দেখলাম খালি, ভাত নাই! - আমি খাইসি। তুই ঘুমা বাবা। তোমার ক্ষিধা লাগে না মা? - তোরে ঘুমাইতে কইসি না? তারপর কলিজার টুকরা আদরের ছেলে খোকনকে বুকে চেপে মা নিজেই ঘুমানোর চেষ্টা করতে লাগলেন।

কয়েক বছর পর এক পূজোঁর সময়েঃ ছেলে, মা আমার জিন্স প্যান্ট, ফুলহাতা শার্ট আর জুতো লাগবে। মেয়ে, আমার একটা থ্রী পিস হলেই হবে। মা তার জমানো টাকার সবটুকু খরচ করে সন্তানের চাহিদা মতো কাপড় চোপর বানিয়ে আনেন।তারপর নিজ হাতে পড়িয়ে দেন এবং অপলক মুগ্ধ নয়নে তাকিয়ে থাকেন তার রাজপুত্র রাজকন্যাদের দিকে! বাহ! দিন দিন কত বড় হয়ে যাচ্ছে তার সোনা যাদু'রা। খোকন মাকে জিগ্যেস করে, মা চলো না পূজাঁতে যাই? মা মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলেন, না বাবা,আমার অনেক কাজ তোরা যা। বড় মেয়ে আখিঁ বুঝতে পারে মা কেনো যাবেন না। কারন, তার কোনো ভালো কাপড়ই নেই! । আজ বড় মেয়ে আখিঁর বিয়ে। মেট্রিক পাস করেছে। কলেজে পড়ার স্বপ্ন ছিলো। বরপক্ষ বলেছে তারাই পড়াবেন।পিতৃহীন মেয়েটির জন্য আজ তার ভেতরটা ফেটে যাচ্ছে। আহ! কোনো সাধই পূরুণ করতে পারেনি মেয়েটার। চলে যাচ্ছে তাকে ছেড়ে অচেনা কোন বাড়িতে। মা'রে, ক্ষমা করিস তোর মায়ের এ অক্ষমতাকে। অর্ধেক বাড়ি বন্ধক রেেখে তিনি মহা ধুমধামে আখিঁর বিয়ে পর্ব শেষ করলেন।

একমাত্র ছেলে খোকন। ভার্সিটিতে পড়ে। হঠাৎ অসময়ে বাড়িতে আসলো। মা বুঝতে পারলো, ছেেলর টাকার দরকার। খোকন মায়ের গলা জড়িয়ে ধরে বলল, মা বন্ধুরা পিকনিকে যাবে। আমাকেও যেতে হবে, না হলে লজ্জা পাবো। কটা টাকা হবে তোমার কাছে? আমি বেচেঁ থাকতে আমার ছেলে লজ্জা পেতে পারে না। দাড়া, ব্যবস্তা করছি। মা তার শেষ স্মৃতি হাতের বালা গুলো বন্ধক রেখে ছেলের হাতে টাকা তুলে দিয়ে বলে, যা বাবা সাবধানে যাস। মা ছেলেকে বিদায় দিয়ে ভাবেন, আর তো ক'টা দিন। ছেলে চাকরি পাবে। তারপর লাল টুকটুকে একটা বৌ আনবেন পাড়ার সবাইকে নেমন্তন্ন দিয়ে। মহা ধুমধামে। আহ! কতদিনের পোষে রাখা স্বপ্ন তার। এইতো আর কদিন পরেই খোকন পাস করে বাড়ি ফিরবে। খোকন বাড়ি ফিরে। তবে একা নয়, এক ধনীর দুলালীকে সঙ্গে করে। মা জানতে চায়, কে উনি? -আমরা বিয়ে করেছি মা। ক্ষমা করো মা তোমাকে জানাইনি। মা কষ্ট পায়! পরক্ষনেই ক্ষমা করে দিয়ে বলে, আয় বৌমাকে নিয়ে ঘরে আয়। খোকন স্ত্রী কে তাগিদ দেয় মাকে প্রণাম করার জন্য। আল্ট্রা মডার্ণ বৌ তার বাড়ির কাজের বুয়া সাদৃশ্য মহিলাকে পা ছুয়েঁ প্রণাম করতে কুন্ঠিত হয়। তাড়া দেয় টাউনে ফিরার।

পরিশিষ্টঃ মা এখন সেইভিং হোমে (বৃদ্ধাশ্রমে)। বেশ সুখেই আছেন। ছেলে বাড়ি বিক্রি করে শহরে প্লট কিনেছে। মেয়ে চেয়েছিলো তার কাছে রাখতে। তিনি রাজী হননি। এখানেই ভালো, কথা বলার মানুষ আছে। অনেক অবসর। মা সেদিনের কথা ভাবেন, এইতো কদিন আগের কথা, খোকন তখন কত্ত ছোট্ট ছিলো। গল্প না বললে সে ঘুমাবেই না। রোজ রোজ একই গল্প। আচ্ছা, সেই হাতকাটা রাক্ষসীর গল্পটা এখন কি মনে আছে খোকনের? খুকী'টার শখ ছিলো গীত শোনার। আহঃ আমার অভিমানী খুকী!! ভাবতে ভাবতে মায়ের চোখ জলে ভরে ওঠে। কায়মনে প্রার্থনা করেন, "হে বিশ্বভ্রম্মান্ডের কর্ণধার, আমার পিতৃহীনা সন্তানদের তুমি নিরাপদে রেখো। আমি ওদের কোনো ইচ্ছাই পূরুণ করতে পারিনি। অক্ষম মা আমি"।

-পি সি দ্বীপ 

0
Comments
f
Share
t
Tweet
g+
Share
?
পি সি দ্বীপ
7:58 PM

কবিতাঃ 'প্রেমের কাব্য'- সুমনা পাল



যদি এক মেঘলা দিনে,
হঠাৎ ঐ শিউলি গাছের নিচে
এক টুকরো পরশ নিবেদনের একটি কাব্য,
আমি স্পষ্ট চোখে,ঠোঁটের আড়ালে
নির্দিধায় বলে যাই!
ঘাসের বুকে শিশির যেমন ঘুমায়,
তোমার পশমভরা বুকের কোণে অক্ষ্যান্ত ঢেউয়ের মতো
আমিও না হয় ঘুমাবো।
আসুক যত যুদ্ধ থেকে যুদ্ধ। 
ফাল্গুনের আকাশে যদি চৈত্রের খরতা আসে
যদি ম্লান হয়ে যায় বসন্তকন্যারা। 
অজস্র রহস্যের হাসি ভেদ করে যদি, 
সাতরংধনু খন্ড-বিখন্ড হয় বিশাল আকাশ জুড়ে
তবুও আমি একটুকরো পরশনিবেদনের কাব্য,
তোমায় দিয়ে বলবো,ভালোবাসো?  
আমি তোমায় আগলে রাখবো ঠোঁটের আড়ালে ।
ভোরবেলাই পাখি যখনডাকবে,
দুপুর গড়িয়ে সন্ধ্যে হবে তোমার পশমভরা বুকের কোণে,শিউলিবনে। 
হারিয়ে যাবো নির্জনে। 
যদি বিশাল বড় পাচিল টপকে রক্তে রক্তে রক্তাক্ত হয়ে, 
পৌঁছাতে হয় শিউলিবনে, ভয় পেয়ো না।
তবুও যাবো
 তোমার পশমভরা বুকের কোণে তুমি যদি বলো শিউলিবনে না।
যাবে কাশবনে,হতে পারে ঘাসবনে। 
আমি তাতেই রাজি।
শুধু আমাই আগলে রেখো হাজার প্রহর।
তোমার পশমভরা বুকের কোণে, 
যদি আঁধার রাতে নির্জন পথে,
পুষ্পরথে তোমার সাথে পৌঁছাতে হয়, শিউলিবনে। 
 এক শাড়িতেই ছুট্টে যাবো, 
তোমার পশমভরা বুকের কোণে। 
যদি চাও চাঁদ আকাশে বা কোনো শিশির ভেজা ঘাসে,
যেতে যদি হয় কোনো ক্লান্তদেশে, 
আমি তাতেও রাজি। 
শুধু একটু রেখো তোমার পশমভরা বুকের কোণে।
ঘোর অমানিশায়,কোনো ছন্নছাড়া দিশায়।
জৈষ্ঠ্যের গুঞ্জনে, কোনো আলোড়িত দ্বীপবনে।
যদি নিয়ে যেতে চাও অদূর কোনো জঙ্গলবনে, তাও যাবো। 
শুধু আমায় আগলে রেখো। 
তোমার পশমভরা বুকের কোণে, 
আমি তোমায় একটি কাব্য নিবেদন করবো।
প্রেমের কাব্য।
0
Comments
f
Share
t
Tweet
g+
Share
?
Unknown
8:02 AM

Sunday, October 11, 2015

কবিতাঃ 'একটা চাকরি চাই' - পি সি দ্বীপ

একটা চাকরির সন্ধান করছি, 
একটা চাকরি। 
দীর্ঘ এক বছর ধরে হন্যে হয়ে খুজেঁ ফিরছি, 
নগরের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে। 
একটা চাকরি চাই, 
একটা চাকরি। 
বিএ অনার্স (রাষ্ট বিজ্ঞান)। বয়স ২৬। । 
বয়সের ভারে ন্যূজ হয়ে যাওয়া 
পিতার হাত ছুয়েঁ কথা দিয়েছি, 
লেখাপড়া শিখে চাকরি করবো। 
দারিদ্রতাকে পদাঘাত করে 
সচ্ছলতার মুখ দেখবো। 
দুখিনী মায়ের মলিন মুখে 
এক চিলতে হাসি ফুটাবো। 
মহা ধুমধামে ছোট বোনটার বিয়ে দেবো। 
আর তাই টিউশনির টাকায় আধপেটা খেয়ে, 
মনের গোপন খোয়াঁরে 
একটাই স্বপ্ন বেধেঁ রেখে, 
লেখাপড়া শেষ করেছি। 
এবার একটা চাকরি চাই, 
একটা চাকরি। 
হোকনা ছোট, 
তবুও চাকরিটা আমার চাই ই চাই। । 
২৪ টি রিটেন, ১৭ টি ভাইভা। 
অতঃপর লেনদেনের সমীকরণ। 
আমি অসহায়, অক্ষম; 
মুখ চেপে ফিরে আসি। 
আসবে না জানি তবুও, 
লেটারের প্রত্যশায় প্রহর গুণি। 
সেদিন রাহুল রায়হান নামের 
এক ভদ্রলোক বললেন, 
"আরে ভাই, চাকরি কি এখন অফিসে পাওয়া যায়? 
এমপি, মিনিস্ট্রিদের বাসভবনই 
এখন চাকরির বাজার"! 
অজোঁ গায়েঁর ছেলে আমি; 
মিনিস্ট্রি ভবন? সেতো মঙ্গল গ্রহ! । 
হে মিনিস্ট্রি, আমি নিরুপায়, 
শুধু একটা চাকরি চাই, 
একটা চাকরি! 
মিনিস্ট্রিদের কি কান আছে? 
ওরা শুনতে পায়?
- পিসি দ্বীপ

0
Comments
f
Share
t
Tweet
g+
Share
?
পি সি দ্বীপ
1:12 PM

গল্পঃ 'অব্যক্ত ভালোবাসা'-পি সি দ্বীপ

নাহ, আর পারা যাচ্ছে না। ফোন দিতে দিতে ব্যাটারি এখন লো দেখাচ্ছে।টানা ১৪ দিনে কত বার যে ফোন দিয়েছে শুভ তার হিসেব রাখলে গিনিস বুক অব ওয়ার্ল্ডে একটা নতুন ইতিহাস তৈরী হয়ে যেতো। কি হয়েছে সুমোর? পাচঁ বছরের সম্পর্কেরর মধ্যে কখনো তো এমন হয়নি। যে মানুষের সাথে একদিন কথা না বললে কৈফিয়ত দিতে দিতে জান কয়লা হয়ে যেতো, আজ দু সপ্তাহ ধরে তার ফোন অফ। কোনো কমিউনিকেট করা যাচ্ছে না। রাগে অভিমানে বুক ফেটে যাচ্ছে শুভ'র । শুভ ঢাকা ভার্সিটির ইতিহাসের ছাত্র।জগন্নাথ হলে থাকে। স্কুল জীবন থেকেই সব চেয়ে কাছের বন্ধু সুমো।এক গ্রামেই নিবাস। স্কুল থেকে কলেজ এক সাথেই কাটিয়েছে দুজন। স্রেফ বন্ধুত্ব; অন্য কিছু ছিলো না। সেই দিনটার কথা মনে পড়ে শুভ'র। যেদিন সে ঢাকা ভার্সিটিতে চান্স পায়, কি উচ্ছাস টাই না দেখিয়ে ছিলো সুমো।তার এই কৃতিত্বে সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছিলো সে। তারপর, গ্রাম থেকে ঢাকা আসার সময়, সে কি কান্না! শুধু একটা কথাই বলেছিলো, ' নতুন বন্ধুদের পেয়ে আমাকে ভুলে যাস না কিন্তু! খুন করে ফেলবো! ট্রেনে বসেই শুভ আবিষ্কার করলো, শেক্সপিয়ারের কথাটাই সত্যি, "একটা ছেলে কখনোই একটা মেয়ের বন্ধু হতে পারে না।এখানে আবেগ আছে,দৈহিক আকাঙ্খা আছে"। শুভ বুঝত পারলো সে পাগলিটার প্রেমে পড়ে গেছে। কিন্তু, কিভাবে প্রকাশ করবে? পাছে যদি বন্ধুত্বটাও নষ্ট হয়ে যায়! এভাবেই গোলাচালে চলে যায় অনেক দিন। শুভ ঢাকা থেকে বাড়িতে যায়,দুজনের দেখা হয়। সব কিছু আগের মতোই চলে।শুধু মনের ভেতর পুষে রাখা অব্যক্ত কথাটা ব্যক্ত করা হয় না। শুভ আজ চরম অস্থির। না এভাবে আর থাকা যাবে না।বুকের ভেতর তীব্র যন্ত্রণা অনুভব করে। বলে দিতেই হবে তাকে আমার ভালোবাসার কথা। সুমো তাকে ফেরাবে না। কিছুতেই ফেরাবে না।শুভ'র কোনো কষ্ট সুমো মেনে নিতে পারবে না। পরশো পরীক্ষা শেষ হলেই সে বাড়ি যাবে। যথারীতি পরীক্ষা শেষ হয়।শুভ বাড়ি আসে।বিকালে সুমোকে তাদের পুরোনো যায়গায় আসার জন্য খবর পাঠিয়ে অধীর আগ্রহে সে অপেক্ষা করতে থাকে।আজ এক অন্য রকম অনুভূতি। একসময় মোগল দূহিতার মতো ধীর পদে উপস্থিত হয় সুমো। শুভ উত্তেজিত হয়ে জিজ্ঞেস করে, 'কি হয়েছে তোর? ফোন বন্ধ কেনো'?? কৈফিয়ত দেওয়ার মতো করে সুমো বলে, 'স্যরি শুভ; সেদিন কলেজ থেকে ফেরার পথে ফোনটা হারিয়ে ফেলি। কিনবো কিনবো করে আর কেন হয়নি। তোর খবর কি, কবে আসছিস? আজকে সুমোকে কেমন যেনো অন্যরকম লাগছে,,,কেমন যেনো অচেনা অচেনা।তবু নিজেকে সামলে নিয়ে শুভ বলল, আজ তোকে একটা কথা বলবো সুমো। সুমো বলল, বল; তবে দাড়া তোকে একটা সারপ্রাইজ দিয়ে নিই আগে।চোখ বন্ধ কর। শুভ চোখ বন্ধ করলে সুমো তার হাতে একটা কার্ড তুলে দিয়ে বলে, এবার চোখ খুল। শুভ জানতে চায় এটা কিসের কার্ড? সুমো বলে, পড়ে দেখ। আজই ছাপিয়ে আনলো।তোকেই প্রথম দিলাম। ছেলে সিঙ্গাপুরে ভালো জব করে।তাই বাবা আর দেড়ি করতে চায়নি। শনিবারে আংটি পড়িয়ে গেলো। স্যরি শুভ, তোকে জানাতে পারিনি, রাগ করিস না প্লিজ!! ২৪ তারিখ বিয়ে, তোকে থাকতেই হবে। সুমোর দেওয়া সারপ্রাইজে এলোমেলো শুভ কোনো মতে মিনমিন করে বলল, থাকবো। সুমো বলে, এবার বল কি বলতে চেয়েছিলি?? শুভ তার দৃষ্টি অন্যদিকে ফিরিয়ে বলে, আজ না আরেকদিন বলবো। শুভ, এই শুভ! তুই এতো ভীতু কেনো রে?? সুমোর কথা শুনে শরীরের সমগ্র শক্তি প্রয়োগ করে একটা শুষ্ক হাসি দিয়ে শুভ বলে, আজ যাই রে, ভালো থাকিস। হেটে যেতে যেতে পিছন ফিরে তাকায় শুভ, শত স্মৃতি বিজরিত জারুলগাছটাকে জড়িয়ে ধরে অঝোর ধারায় কেদেঁ চলছে সুমো ,,,,,,,,,,,,, ____________________ পি সি দ্বীপ
0
Comments
f
Share
t
Tweet
g+
Share
?
পি সি দ্বীপ
9:35 AM

Friday, October 9, 2015

কবিতাঃ 'সে কথা আর কি বলবো'- পি সি দ্বীপ

ভালোবাসি তোমাকে এই 
ছোট্ট কথাটি বলতে না পেরে, 
কত দিন যে আমি গুমরে গুমরে 
কেদেঁছি, 
কত বার যে আমার বুক ফেটে 
যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল, 
সে কথা আর কি বলবো । 
বুকের ভেতর চিনচিন ব্যাথা নিয়ে, 
কত কাল যে আমি সাঁতার 
কেটেছি হতাশার মহাসমূদ্রে; 
কষ্টের নদীতে অশ্রুর ফোয়ারা 
ফুটে প্লাবন এসে, 
কত বার যে আমাকে প্লাবিত 
করেছে; সে কথা আর কি বলবো। 
ভালোবাসি এই মহামন্ত্রটি 
জপতে জপতে, কত কাল যে আমি ডুবে রয়েছি 
কল্পনায়, জানিনা। 
সহস্র দিবস ধরে প্রেমের 
বাজারে ফেরারী হয়ে 
খুঁজেছি তোমায়। কতবার যে তুমি 
আমার সপ্নে এসেছো রানী হয়ে, 
সে কথা আর কি বলবো তোমাকে 
একটি পলক দেখার জন্য 
কতকাল যে আমি ঘুরে বেরিয়েছি 
ভবঘুরের মতো পাড়ি দিয়েছি কতশত পথ, 
সাত সমুদ্র, শত নদী, মরুভূমি, তেপান্তর; 
কত বার যে আমি থমকে দাঁড়িয়েছি, 
সে কথা আর কি বলবো। 
আমি আজো এভাবেই আছি হে মানবী 
একদিন হয়তো বলবোই তোমাকে ভালোবাসি।

-পি সি দ্বীপ
0
Comments
f
Share
t
Tweet
g+
Share
?
পি সি দ্বীপ
10:41 PM
Older Posts Home
Subscribe to: Comments (Atom)
Find Us :

Populer

  • Clash Of Clan Gem পেতে পারেন খুব সহজেই। না দেখলে চরম মিস!!
    আচ্ছালামুআলাইকুম আমরা যারা clash of clane খেলি তাদের একটাই সমস্যা জেমস্ এর অভাব।এর কারনে বিউল্ডার কিনতে পারিনা আরো অনেক কাজ করতে পারি না। ...
  • 'এক মায়ের গল্প'- পি সি দ্বীপ
    অল্প বয়সেই বিধবা হলেনসেই মা। ২ সন্তানের জননী। অভাব আর টানাটানির সংসার। বাড়িতে হাসঁ-মুরগি পালন এবং আঙ্গিনায় সবজি চাষের টাকা দিয়েই চলে তার স...
  • কবিতাঃ 'প্রেমের কাব্য'- সুমনা পাল
    যদি এক মেঘলা দিনে, হঠাৎ ঐ শিউলি গাছের নিচে এক টুকরো পরশ নিবেদনের একটি কাব্য, আমি স্পষ্ট চোখে,ঠোঁটের আড়ালে নির্দিধায় বলে যাই...
  • এবার আপনার এন্ড্রয়েড ফোন ROOT করুন কোনোরকম Warranty হারানোর ভয় ছাড়াই।
    আসসালামু আলাইকুম কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালো আছেন। আমি প্রতিবারই চেস্টা করি আপনাদের নতুন কিছু উপহার দেয়ার, সেই পরিপ্রেক্ষিতে আরো একটি ট...
  • নিয়ে নিন সিম্ফনির সব মডেলের স্টক রম তাও আবার একদম লেটেস্ট এবং অরিজিনাল।
    আসসালামু আলাইকুম! কেমন আছেন সবাই? আশা করি আল্লাহর রহমতে ভালোই আছেন। বেশি কথা বাড়াবো না সোজা কাজের কথায় যাই... আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এসে...
Powered by Blogger.

Category

  • আইফোন (1)
  • উইন্ডোজ (5)
  • এন্ড্রয়েড (5)
  • এন্ড্রয়েড এপ্স (4)
  • এন্ড্রয়েড গেমস (2)
  • এন্ড্রয়েড টিপস (5)
  • এন্ড্রয়েড স্টক রম (1)
  • এপল আইফোন (1)
  • ব্রাউজার (1)
  • ব্লগিং টিপস (1)
  • মোবাইলীও (2)
  • রকমারি (1)
  • সাহিত্য ও সংস্কৃতি (5)
  • হ্যান্ডসেট রিভিউ (6)

 Subscribe in a reader

Copyright 2015-16 Wellcome To OsthirBlog - All Rights Reserved
Design by Rahul Raihan